বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮  |   ২০ °সে আপডেট : ২০ জানুয়ারি, ২০২২
ব্রেকিং নিউজ
  •   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সবুজ চত্বরে দেখা স্বপ্ন- সাতগ্রামবাসীর সেবার সুযোগ চান জোবায়ের
  •   অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার হাতে ট্রফি
  •   আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ করবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স: শিক্ষামন্ত্রী
  •   তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষকেরা প্রথম শ্রেনীর মানুষ তৈরি করে
  •   বিশ্বনেতাদের প্রতিশ্রুতির বন্যা

প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:৩৫

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম-এর মৃত্যুতে জবি কর্তৃপক্ষের শোক

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ, জবি
জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম-এর মৃত্যুতে জবি কর্তৃপক্ষের শোক

একুশে পদকপ্রাপ্ত নজরুল গবেষক জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম-এর মৃত্যুতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কর্তৃপক্ষের শোক প্রকাশ করেছে। তিনি ৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শোক প্রকাশের বিষয়টি জানানো হয়েছে। শোকবার্তায় বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। আরো বলা হয়েছে, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম-এর মৃত্যুতে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি একজন বুদ্ধিবৃত্তিক পুরোধা, নজরুল গবেষক ও শিক্ষাবিদকে হারালো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, ১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগদান করেন। এরপর থেকেই তিনি নজরুল গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক ঘোষণা করে। একই বছরের ৩ ডিসেম্বর তিনি কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের সভাপতি পদে যোগদান করেন। অধ্যাপক রফিকুল বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক। তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ১৯৫২ সালে মহান ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সাহিত্য চর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, নজরুল একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বিকাশ, চর্চা, প্রচার-প্রসারে অবদান রাখায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকও লাভ করেন।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত